Published : 19 Jul 2026, 09:12 PM
বুলাওয়েতে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি ছিল এক শ্বাসরুদ্ধকর নাটকের সমাহার! শেষ ওভারের উত্তেজনা চরমে পৌঁছায় যখন বাংলাদেশের হাতে ছিল মাত্র ৫ রান এবং ৬ উইকেট। ম্যাচটি সহজ জয়ের পথে মোড় ঘুরিয়ে দেয় এক অপ্রত্যাশিত নাটকীয়তায়। ব্রাড ইভান্সের প্রথম বলেই দৌড়ে রান নেন তানজিদ হাসান। এরপর মোসাদ্দেক ৩ বলে ১ রান করে বোল্ড হন। ছক্কা মারতে গিয়ে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনও ক্যাচ তুলে দেন! তখন বাংলাদেশের প্রয়োজন মাত্র চার রান। চতুর্থ বলটি মেহেদী হাসানের প্যাডে গিয়ে পড়লে মনে হচ্ছিল এলবিডব্লুই হয়ে যাবে, কিন্তু আম্পায়ার ডেড বলের সংকেত দিয়ে দেন। এই বিতর্ক নিয়ে ইভান্স ও তানজিদ তর্ক জুড়ে দেন। এরপর মেহেদী হাসান চার মেরে বাংলাদেশকে ৪ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে দেন। ম্যাচের পরেও তানজিদ ও ইভান্সের মধ্যে তর্ক চলতে থাকে।
১৪৪ রান তাড়া করতে নেমে ২ বল আগে পাওয়া এই জয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিজেদের করে নেয় বাংলাদেশ। ম্যাচের শুরুতে তাদিয়ানসি মারুমানি ৫ বলে ৪ রান করে আউট হন। এরপর ব্রায়ান বেনেট ও মায়ার্স দলের হাল ধরেন। রানের গতি কম হলেও উইকেট ধরে রাখেন তাঁরা। ১১তম ওভারের শেষ বলে যখন বেনেট আউট হন, তখন জিম্বাবুয়ের স্কোর ছিল ৭৭। ৩৮ বলে ৪৭ রান করে বেনেটের বিদায়ের পর মায়ার্স রান তোলার গতি বাড়ান এবং ৩৮ বলে ফিফটিও আদায় করে নেন। কিন্তু তাঁর সঙ্গীরা থিতু হতে পারেননি। ৫৩ বলে ৭৩ রান হলে জিম্বাবুয়ের রান প্রায় স্তব্ধ হয়ে যায়। শেষ ওভারে তাসকিন কোনো বাউন্ডারি হজম না করে মাত্র ৬ রান দিলে জিম্বাবুয়ের দেড়শো রান অতিক্রম করতে পারেনি।
বেনেট ও মায়ার্স ছাড়া আর কোনো ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। রান তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই সাইফ হাসান ক্যাচ তুলে আউট হন। তাঁর এই বিদায়ের ধাক্কা পাওয়ার প্লেজুড়েই কাটাতে পারেনি বাংলাদেশ, ৬ ওভারে তাদের মাত্র ৩০ রান ছিল। পারভেজ ও তানজিদের ৪৭ বলে ৫৫ রানের জুটি ভেঙে যায়। তবুও ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় ও তানজিদ দলকে জয়ের পথে রাখেন। ৪৪ বলে তাদের ৬৩ রানের জুটি ভাঙলেও ম্যাচটি প্রায় বাংলাদেশের মুঠোয় চলে আসে। শেষ ওভারের এই নাটকীয়তা আরও বাড়িয়ে দেয় যখন ৫৮ বলে ৬৬ রান করে ওপেনার তানজিদ অপরাজিত থেকে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন।।
ব্যাটব্যাটিংয়ে বিপর্যয়: হতাশাজনক পারফরম্যান্সে জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজ패র